বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে তথ্য অফিসের "প্র...
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে তথ্য অফিসের "প্রেস ব্রিফিং"

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে তথ্য অফিসের "প্রেস ব্রিফিং"
ছবি সংগৃহীত।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং এর সুফল তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের উন্নয়ন দর্শনের অগ্রগতি তুলে ধরে, জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চল—বিশেষ করে লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িতে সরকারের জনবান্ধব কর্মসূচির দৃশ্যমান প্রতিফলন ঘটছে। এসব বিষয় তুলে ধরে বান্দরবানের লামা তথ্য অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে বুধবার (১৩ মে) এক বিশেষ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহার কেবল একটি নথি নয়, বরং এটি টেকসই উন্নয়নের একটি দর্শন। সরকারের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে থাকা উদ্যোগগুলো হলো: ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের খাদ্য ও সার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ; কৃষিঋণ মওকুফের মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি প্রদান; পরিবেশ সংরক্ষণ, খাল খনন, পুনঃখনন এবং দেশব্যাপী ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযান; এবং নারীর ক্ষমতায়নসহ কর্মজীবী ও সাধারণ নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

১৮০ দিনের বিশেষ প্রচার কর্মসূচি
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তর দেশজুড়ে ৬৮টি তথ্য অফিসের মাধ্যমে "সবার আগে বাংলাদেশ" মূলনীতির আলোকে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মে ২০২৬ পর্যন্ত অর্জিত সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরা হয় এই প্রেস ব্রিফিংয়ে।

লামা-আলীকদম-নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেক্ষাপট
পার্বত্য এই অঞ্চলের ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সরকারি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই অঞ্চলের কৃষকদের আধুনিকায়নে কৃষক কার্ড বিতরণ এবং দুর্গম এলাকায় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষায় খাল খনন ও বনায়ন কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জনসম্পৃক্ততা ও আগামীর ভাবনা
তথ্য অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত এসব কর্মসূচি জনমনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরাসরি জনসংযোগের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছানোর ফলে সাধারণ মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। নৈতিকতা উন্নয়নবিষয়ক সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তরুণ সমাজকেও এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের এই উন্নয়নচিত্র বস্তুনিষ্ঠভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়, যাতে সরকারের এই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন দর্শনের সুফল প্রতিটি ঘর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

সহকারী তথ্য অফিসার মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন লামা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, লামা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও মানবজমিন প্রতিনিধি মো. তৈয়ব আলী, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সাঙ্গু প্রতিনিধি বেলাল আহমদ, লামা মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নূর মোহাম্মদ মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম, সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি চৌধুরী মো. সুজন, হিল গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল করিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আদহাম বিন ইব্রাহিম, আমার দেশ প্রতিনিধি নূরুল করিম আরমান, গিরিদর্পণ প্রতিনিধি এস. কে. খগেশ প্রতি ও জাগরণ নিউজের নজরুল ইসলামসহ কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইজিবাইকসহ ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সদর থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে আম্মাজান কমিউনিটি সেন্টারের কাছে সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনক একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইককে ধাওয়া করা হলে চালক ও ইয়াবা বহনকারী ব্যক্তি ইজিবাইক এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ইজিবাইকসহ তিন কার্টনে ৩০ হাজার ১০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা ও ইজিবাইক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ

এসএসসিতে এফসিএইচ-এর বাজিমাত, ভালো ফলাফলে উৎসবের আমেজ
ছবি সংগৃহীত।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বান্দরবানের বেসরকারি কোচিং প্রতিষ্ঠান 'ফারুক কোচিং হোম' (এফসিএইচ)-এর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। এবারের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এফসিএইচ-এ তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে। কেউ কেউ মিষ্টি নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্যের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যকার আন্তরিক সম্পর্কের চিত্র ফুটে ওঠে।

এফসিএইচ-এর সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, নিয়মিত পড়াশোনার তদারকি এবং এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক গোলাম ফারুক বলেন, “একজন শিক্ষক হিসেবে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিনে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি দেখার চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। তাদের সাফল্যই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর রহমত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করানো নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য যোগ্য, সৎ ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। তারা জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় যেন সফল হতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

এফসিএইচ-এর শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পরিচর্যা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় ভালো ফলাফলের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এফসিএইচ-এর অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও একাডেমিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ফারুক কোচিং হোম।




লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫

লামায় অভাবনীয় সাফল্য কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝে প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ এবং পাসের হারে শীর্ষ স্থান বজায় রেখেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এসএসসি (মাধ্যমিক) শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭১ জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ১৩ জন শিক্ষার্থী এবং পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৪.৬৭ শতাংশ।

পুরো লামা উপজেলায় মাধ্যমিক শাখায় সর্বমোট ২৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক (১৩ জন) পেয়েছে একাই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল।

এছাড়া এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন এবং পাসের হার ৯৪.২০ শতাংশ।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, এসএসসি মাধ্যমিক শাখায় ১,১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২৫ জন (পাসের হার ৪৭.০৯ শতাংশ), দাখিল শাখায় ১২৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৪৭.১৫ শতাংশ) এবং কারিগরি/ভোকেশনাল শাখায় ১১৬ জনের মধ্যে ৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮২.৭৬ শতাংশ)।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ধারাবাহিক ও অভাবনীয় ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে আলো ছড়িয়ে লামার সুনাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বিদ্যালয়টি।

অন্যদিকে লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত লামা স্বপ্নকানন বিদ্যাপীঠ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছে। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে বিদ্যালয়টির মোট ৩৪ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৪৭ শতাংশ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি ফলাফল সেই প্রচেষ্টারই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।